নাসা সফলতার সাথে চালু করলো তাদের “কাঞ্চনজঙ্ঘা শাটল প্রোগ্রাম”

কাঞ্চনজঙ্ঘায় যাওয়ার জন্য ব্যাপক উৎসাহ দেখে নাসা এখন চাঁদ, মঙ্গল এসব বাদ দিয়ে চালু করেছে কাঞ্চনজঙ্ঘা শাটল প্রোগ্রাম। প্রোগ্রাম চালুর এক ঘন্টার মধ্যেই সব টিকেট শেষ হয়ে যায় বলে নাসার সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে এদেশের কাঞ্চনজঙ্ঘাপ্রেমী জনগন। এ ব্যাপারে জানার জন্য কাঞ্চনজঙ্ঘা শাটল প্রোগামের ডিরেক্টর “ডোলান কাপ ঝাপ” ভাইকে ভিডিও কল করা হলে তিনি বলেন- “ভাই দেখেন কিয়েক্টবস্তা, আমরা তো বুঝতেই পারিনাই, মানুষ কাঞ্চনজঙ্ঘার জন্য এত পাগল। চান্দের বাত্তির কসম খেয়ে বলতেসি ভাই, আগে জানলে চাঁদ, মঙ্গল এসব জায়গায় যাওয়ার জন্য এত পয়সা খরচ করতাম না, ডিরেক্ট কাঞ্চনজঙ্ঘা শাটল প্রোগ্রাম চালু করতাম, সাথেই কিছু কামাইও হয়ে যেত। এখন এমন অবস্থা যে টিকেটই নেই, আমার নিজেরই রকেটের ফাঙ্খায় বসে কাঞ্চনজঙ্ঘায় যেতে হবে।”

এদিকে টিকেট না পেয়ে বাইরে আন্দোলনরত বিক্ষুব্ধ একজনের সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন- “আমি কাঞ্চনজঙ্ঘা যামুই যামু, কাঞ্চনজঙ্ঘায় না গেলে সমাজে মুখ দেখানোর মতো অবস্থা থাকবে না ভাই। আমার বন্ধুবান্ধব সবাই কাঞ্চনজঙ্ঘা গিয়ে সেলফি আর চেক-ইন দিয়ে দিসে, আমি এখনও দিতে পারলাম না। কালকের মধ্যে যদি কাঞ্চনজঙ্ঘা যাওয়ার জন্য টিকেট না পাই, তবে নাসার পাসায় আগুন ধরায়া দিমু আমি।”

অন্যদিকে সাজেকের ব্যবসায়ীরা নাসার এমন পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এই প্রেক্ষিতে তারা এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কোনো কিছু না বলেই নিজেরা খাওয়া-দাওয়া করে এবং সাংবাদিক ভাই-ব্রাদারদের খাইয়ে যার যার মতো সংবাদ লিখে নিতে বলে চলে যান।

বিঃদ্রঃ পীথাগোরাস একদা বলেছিলেন – “ইন্টারনেটে প্রচলিত ৯৯.৯৯% জিনিসই ভুয়া” সুতরাং যেখানে যা দেখেন তা যদি বিশ্বাস করার অভ্যাস/বদভ্যাস আপনার থেকেই থাকে তাহলে তার দায়ভার সম্পূর্ণ আপনার।

মিম বানানোর জন্য যে ৭টি প্ল্যাটফর্ম সকল প্রো বা ন্যূব মিমারদের প্রয়োজন

পার্টনার অতিরিক্ত সন্দেহবাতিক হলে যে ৮টি প্যারা আপনার নিত্যদিনের সঙ্গী