ভাল্লাগসেভাল্লাগসে মাইরালামাইরালা কস্কি মমিনকস্কি মমিন সেন্টি খাইলামসেন্টি খাইলাম

“বাবু খাইসো?” জিজ্ঞেস না করায় ব্রেকআপ করলেন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থী

“বাবু খাইসো?” জিজ্ঞেস না করায় বয়ফ্রেন্ডের সাথে ব্রেকআপ করলেন নর্থ সাউথের মিথিলা নামের এক ছাত্রী। এমন লেইম রিজনে ব্রেকআপ করার জন্য ঐ ছাত্রীর বয়ফ্রেন্ড এখন কান হেলালের মত লাইভে এসে মিথিলা তুমি ফিরে এসো বলে বিলাপ করছে। এদিকে কান হেলালও ঐ মেয়েকে নিজের মিথিলা হিসবে দাবি করে ফেক এটেনশন পাওয়ার জন্য লাইভ করছে।

এই ব্যাপারে ঐ আপুটির সাথে কথা বলতে গেলে তিনি বলেন, “আমি খাইসি নাকি খাই নাই এইটার খোঁজ খবর নেওয়া তো ওর নৈতিক দায়িত্বের মধ্যে পড়ে, নাকি? এমন একটু আধটু ন্যাকামি তো আমি ওর থেকে আশা করতেই পারি। বেশি কিছু তো চাই নাই, শুধু চাইসি আমাকে জাস্ট দিনে মিনিমাম ১০-১৫ বার বাবু খাইসো জিজ্ঞেস করবে, এটা কি খুব বেশি চাওয়া? এখন ব্রেকআপ করছি দেখে সব দোষ আমার। এমন ছেলের সাথে আমি প্রেম করবো না, যে কিনা আমার খাওয়ার খোঁজ নিতে পারেনা, আমার বান্ধবীদের বয়ফ্রেন্ডরা বাবু তুমি না খেলে আমিও খাবো না বলতে থাকে সারাদিন। অথচ আমি শুধু ওর মুখ থেকে সেই ম্যাজিক্যাল টু ওয়ার্ডস “বাবু খাইসো” শুনতে চাইসি, এখন এটাও আমার অপরাধ। আপনারা কেউ আসলে আমাকে বুঝেন না” বলে মিথিলা আপু ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে আপুটির বয়ফ্রেন্ডের সাতে কথা বলতে গেলে দেখা যায়, নিখিল বাংলার অবিসংবাদিত ছ্যাক সম্রাট বাপ্পারাজ ব্রোয়ের মত গড়াগড়ি খাচ্ছেন আর কান্নাকাটি করে স্যাড সং গাচ্ছেন। তবে আমাদের প্রতিবেদককে দেখে উনি গড়াগড়ি আর গান থামিয়ে বলেন, “আরে ব্রো এসে পড়েছেন, কি আর বলবো আমার দুঃখের কথা। এক বাবু খাইসো না বলায় আমার জীবনটা So Sed হয়ে গেলো। লাইভ টাইভ কোন কিছুই কাজে লাগছেনা। এখন ভাবছি জ্যোতিষ সম্রাট দেওয়ান লিটন ভাইই আমার শেষ ভরসা। উনাকে দিয়েই কোন একটা হোয়াইট ম্যাজিক করিয়ে মিথিলাকে বশ করতে হবে।”

বিঃদ্রঃ পীথাগোরাস একদা বলেছিলেন – “ইন্টারনেটে প্রচলিত ৯৯.৯৯% জিনিসই ভুয়া” সুতরাং যেখানে যা দেখেন তা যদি বিশ্বাস করার অভ্যাস/বদভ্যাস আপনার থেকেই থাকে তাহলে তার দায়ভার সম্পূর্ণ আপনার।

চুলের যত্নে অ্যালোভেরার যে ৫টি হেয়ার মাস্ক আপনি নিজেই তৈরী করে নিতে পারেন

পরিচিত এই ১০ বস্তু যদি কথা বলতো, তাহলে আমাদের যা যা শুনতে হতো