মাইরালামাইরালা ভাল্লাগসেভাল্লাগসে সেন্টি খাইলামসেন্টি খাইলাম কস্কি মমিনকস্কি মমিন

রিলেশনশিপে যে জিনিসগুলো প্রথম প্রথম ভাল্লাগলেও পরে বিরক্তিকর লাগে

মনে পড়ে রিলেশনশিপের বাটারফ্লাই দিনগুলোর কথা? আফসোস হয় যে কেন সব দিনগুলোই তেমন হয় না? আসলে আফসোস করে লাভ নেই। প্রত্যেকদিন বাটারফ্লাই ডে হলে আপনি নিজেই বিরক্ত হয়ে যেতেন। রিলেশনশিপে কিছু কিছু জিনিস প্রথম দিকেই ভালো লাগে, পরে আর না। চলুন জেনে নেই সেগুলো কি কি

১. টেক্সটিং এবং অনেক বেশি টেক্সটিং – এখনকার বেশিরভাগ রিলেশনশিপের শুরুই হয় টেক্সটিং দিয়ে। একটা সময় টেক্সট পেতে এবং টেক্সট করতে খুবই ভাল্লাগে। কিন্তু পরে এটাই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়

via GIPHY

 

২. রাতজেগে ফোনে কথা বলা – গভীর রাত পর্যন্ত জেগে ফোনালাপ করার মত অস্বাস্থ্যকর ব্যাপারটা অনেক বেশি রোমান্টিসাইজ করা হয় এবং আমরাও রিলেশন শুরুর দিকে এটা খুবই এনজয় করি। কিন্তু পরে টনক নড়লে আর ভাল্লাগে না

via GIPHY

 

৩. পার্টনারের উপর ডিপেন্ডেড থাকা – রিলেশনশিপ শুরুর দিকে পার্টনারকে আমরা জান প্রাণ মনে করি। এতে দোষের কিছু নেই কিন্তু এই জান – প্রাণ বানিয়ে ফেলার পর তাদের প্রতি অনেক বেশি ডিপেন্ডেড হয়ে যাই, যে কারণে পরে দুইজনকেই প্যারা খেতে হয়

via GIPHY

 

৪. পার্টনারের সাথে সব কিছু শেয়ার করা – কিছু কিছু ব্যাপার, যা ফিল্টার করলেও চলে সেগুলো না শেয়ার করাই ভালো। সবকিছুই একে অপরের সাথে শেয়ার করতে শুরুতে ভালো লাগলেও একসময় মনের মধ্যে সংকীর্ণতা এসে যায়। সুতরাং, পরে বেশ বিরক্তই লাগে।

via GIPHY

 

৫. কাজকর্ম বাদ দিয়ে পার্টনারকে সময় দেওয়া – শুরুর দিকে পার্টনারের মন জয় করার জন্য এরকম করতেই পারেন। কিন্তু এমন রুটিন যদি চালিয়ে যান তাহলে একটা সময় আপনি নিজেই বোরড হবেন, কাজও বাদ দিতে পারবেন না, অপরদিকে তাকে আগের মত সময় দেন না – এই অভিযোগও শুনতে হয়

via GIPHY

 

৬. Possessive বিহেভিয়ার ইগনোর করা বা মেনে নেওয়া – পার্টনারের Possessive বিহেভিয়ার শুরুর দিকে ইগনোর করতে ভালোই লাগে। মনে হয় যে, ” একটু Possessive তো হবেই”। একটু Possessive হওয়া স্বাভাবিকও । কিন্তু এটা যখন মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে তখন কিন্তু আর ব্যাপারটাকে কিউট কিংবা সহনীয় লাগে না।

via GIPHY

Spider-Man: No Way Home টিজার থেকে Doctor Strange এর টেম্পলেটে Strange কিছু মিম

যে ৯টি ঘটনা প্রমাণ করে মানুষ বাথরুমে গিয়েই সব ভুলে যায়